“বিশ্বাসের দ্বারা আমরা বুঝি যে, জগৎসমূহ ঈশ্বরের বাণীর দ্বারা গঠিত হয়েছে।” (Hebrews 11:3)
আপনি কি খেয়াল করেছেন, জীবন আসলে আধ্যাত্মিক? এই পৃথিবীর ব্যবস্থাগুলো আধ্যাত্মিকভাবে কাজ করে, যদিও অনেকেই তা বুঝতে পারে না। আমাদের মূল পদটি বলে যে সবকিছু ঈশ্বরের বাণীর মাধ্যমে অস্তিত্বে এসেছে। অর্থাৎ, বাণী সাধারণ কিছু নয়—এগুলো সৃষ্টিশীল। যে একই বাক্য জগতকে গঠন করেছে, সেই বাক্যই খ্রিস্টে আমাদেরকে প্রদান করা হয়েছে।
এখানে একটি শক্তিশালী সত্য আছে: বাইবেল নিজে পৃথিবী সৃষ্টি করেনি, কিন্তু এটি আমাদেরকে ঈশ্বরের বচন উপহার দেয়। আর সেই বাক্য আমাদের হৃদয়ে স্থাপন করা হয়েছে, যাতে আমরা তা ঘোষণা করতে পারি। আমরা নীরব দর্শক নই—আমরা বাক্য উচ্চারণকারী। যখন আপনি ঈশ্বর যা বলেছেন তা ঘোষণা করেন, তখন সেই বাক্যের ফল আপনার জীবনে প্রকাশ পায়। আপনার মুখের একটি ঐশ্বরিক দায়িত্ব আছে: আপনার ভবিষ্যৎ ঘোষণা করা।
বিশ্বাস আশা নয়। বিশ্বাস হলো ঈশ্বর যা বলেছেন তাতে “হ্যাঁ” বলা (Hebrews 11:6)। বাইবেল বলে, “আমরা বিশ্বাস করি, তাই আমরা কথা বলি” (2 Corinthians 4:13)। এর অর্থ, আপনি যদি সত্যিই কিছু বিশ্বাস করেন, তা আপনার কথায় প্রকাশ পাবে। আপনি কতটা আপনার বিশ্বাস অনুযায়ী কথা বলেন? নাকি আপনি যা দেখো তাই বলেন? পিটার কে মনে করুন—সে জলের উপর হেঁটেছিল, যতক্ষণ না সে ঢেউয়ের দিকে তাকিয়েছিল। আপনি যেদিকে মনোযোগ দেন, সেটাই আপনার কথাকে প্রভাবিত করবে।
তাই অভাব নিয়ে চিন্তা করা বন্ধ করুন। অর্থও “অভাবের প্রচারক” হয়ে উঠতে পারে, যদি আপনি সবসময় শুধু না-পাওয়ার কথাই বলেন। বরং বচন ঘোষণা করুন। আত্মায় প্রার্থনা করুন। আত্মিক চোখে খেখুন। আজ আপনি যে বাক্য বলছেন, সেটাই আপনার আগামীকাল গঠন করছে। জীবন বলুন। সঙ্গে বলুন বিশ্বাস। আপ5 বিজয় ঘোষণা করুন।
প্রার্থনা:
প্রিয় পিতা, আপনার বাক্যের উপহারের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আমি যা বিশ্বাস করি তাই বলি, আর আমি বিশ্বাস করি আপনি আমার সম্পর্কে যা বলেছেন। আপনার প্রতিশ্রুতি প্রতিদিন ঘোষণা করার মধ্যদিয়ে আমার মুখ আমার ভবিষ্যৎ তৈরি করে। আমি অভাব বা ভয়ের কথা বলব না। আমি বিশ্বাসে চলি, দর্শনে নয়। যীশুর নামে, আমেন।