কারণ উন্নতি পূর্ব দিক হইতে আসে না, পশ্চিম দিক হইতেও আসে না, দক্ষিণ দিক হইতেও নয়। কিন্তু ঈশ্বরই বিচারক; তিনি একজনকে নামইয়া দেন এবং আরেকজনকে উঁচুতে তুলিয়া দেন। (Psalm 75:6–7)

সত্যিকারের সফলতা কী? এটি শুধুমাত্র ব্যক্তিগত অর্জন নয়—এটি তখনই সত্যিকারের সফলতা, যখন আপনার জীবন অন্যদের উপর প্রভাব ফেলতে শুরু করে এবং ঈশ্বরের উদ্দেশ্যকে প্রতিফলিত করে। ঐশ্বরিক রাজ্যের মধ্যে সফলতা পরিমাপ করা হয় প্রভাব দ্বারা—আপনার মাধ্যমে কতটা ঈশ্বরের ইচ্ছা চারপাশের জগতে প্রকাশ পাচ্ছে।

উন্নতি ঈশ্বরের কাছ থেকেই আসে। কিন্তু ঈশ্বর কীভাবে একজন মানুষকে উন্নত করেন? এটি সহজ—তাঁকে সন্তুষ্ট করার মাধ্যমে। এই নীতি শুধুমাত্র আধ্যাত্মিক নয়; পৃথিবীতেও এটি কার্যকর। যারা কর্তৃত্বকে সন্তুষ্ট করতে জানে, তারাই উন্নীত হয়। রাজ্যের মধ্যে, যখন আপনার জীবন ঈশ্বরের ইচ্ছার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তখন উন্নতি অনিবার্য হয়ে ওঠে।

তবে, ঈশ্বরকে সন্তুষ্ট করা শুধুমাত্র কথায় নয়। এটি কাজের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। অনেকেই প্রার্থনা করে, কিন্তু ঈশ্বর যা প্রত্যাশা করেন, তাতে সাড়া দেয় না। দান, আনুগত্য, এবং তাঁর উদ্দেশ্যে অংশগ্রহণ—এসবই এমন একটি জীবনের অংশ যা তাঁকে সন্তুষ্ট করে। আপনি প্রার্থনাকে দায়িত্ব থেকে আলাদা করতে পারেন না এবং তবুও বৃদ্ধি আশা করতে পারেন না।

তাই উদ্দেশ্যপূর্ণভাবে জীবন যাপন করুন। আপনার জীবন যেন প্রভুকে সন্তুষ্ট করে। যখন আপনি আপনার কাজকে তাঁর ইচ্ছার সঙ্গে সামঞ্জস্যময় করবেন, তখন আপনাকে উন্নতির পিছনে ছুটতে হবে না—উন্নতিই আপনার কাছে আসবে।

স্বীকারোক্তি:
প্রিয় পিতা, আমি আপনাকে ধন্যবাদ জানাই যে আমার জীবন প্রভাব বিস্তারের জন্য প্রস্তুত। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে আমি এমনভাবে জীবন যাপন করব যা আপনাকে সর্বদা সন্তুষ্ট করে। আমি আনুগত্য, দায়িত্ব এবং আপনার ইচ্ছার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চলি। আমি আপনার কাছ থেকে উন্নতি গ্রহণ করি, এবং আমার জীবন আপনার নামকে মহিমান্বিত করে, যীশুর নামে। আমেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *