নিজের জন্য উচ্চ মানদণ্ড স্থাপন করুন

শেষ কথা এই, ভাইয়েরা, যা সত্য, যা সম্মানযোগ্য, যা ন্যায়সঙ্গত, যা পবিত্র, যা সুন্দর, যা সুনামযোগ্য… সেইসব বিষয় নিয়ে চিন্তা করুন। — ফিলিপীয় ৪:৮ উৎকর্ষ একটি সিদ্ধান্ত দিয়ে শুরু হয়। আপনাকে মনে স্থির করতে হবে যে আপনি মাঝারি মানের জীবনে সন্তুষ্ট থাকবেন না, বরং তার চেয়ে উচ্চ কিছু অনুসরণ করবেন। আপনি যদি নিজের জন্য কোনো […]
পবিত্র আত্মার প্রবাহের মধ্যে বেড়ে উঠুন

আর এমন হবে যে, যেখানে যেখানে এই নদী যাবে, সেখানে চলাফেরা করা প্রত্যেক জীবন্ত প্রাণী বেঁচে থাকবে… (যিহিষ্কেল ৪৭:৯) পবিত্র আত্মা আপনার সঙ্গে শুধু মাঝে মাঝে কোনো অভিজ্ঞতা চান না; তিনি চান আপনার জীবনে তাঁর একটি নিরন্তর প্রবাহ থাকুক। যিহিষ্কেলের দর্শনে প্রথমে জল গোড়ালি পর্যন্ত পৌঁছেছিল, তারপর হাঁটু পর্যন্ত, তারপর কোমর পর্যন্ত, আর শেষে এত […]
সীমাবদ্ধতার ঊর্ধ্বে উঠে চিন্তন করুন

“আমাদিগের মধ্যে যে শক্তি কার্য করিতেছে, সেই শক্তি অনুসারে আমরা যাহাই চাই বা চিন্তন করি, তাহা হইতেও তিনি বহুগুণ বেশি করিতে সক্ষম।” (ইফিষীয় ৩:২০) ঈশ্বর অনুরাগী মনুষ্যদের মনে শত্রু একটি সীমাবদ্ধ চিন্তার জন্ম দেয়, “হয়তো আমি এর বেশি আর এগোতে পারব না।” এই ধরনের চিন্তাভাবনা প্রথমে ক্ষতিকারক মনে না হলেও, যদি এগুলোকে প্রশ্রয় দেওয়া হয়, […]
বিশ্বস্ততা এবং সম্মান গড়ে তুলুন

আর তাহাদের কার্যের কারণ হেতু তাহাদের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও সম্মান প্রদর্শন করিও। (১ থিষলনিকীয় ৫:১৩) খ্রীষ্টীয় জীবনে সবচেয়ে উপেক্ষিত নীতিগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো বিশ্বস্ততা এবং সম্মানের নীতি। ঈশ্বর আমাদের শিক্ষা দিতে, পথ দেখাতে, উৎসাহিত করতে এবং বেড়ে উঠতে সাহায্য করার জন্য আমাদের জীবনে কিছু মানুষকে নিযুক্ত করেন। ঈশ্বর আমাদের যাদের প্রদান করেছেন, যখন আমরা […]
সাধারণত্ব বা মধ্যমতার প্রতি পবিত্র অসন্তোষ গড়ে তুলুন

আর তোমরা ইহ যুগের অনুরূপ হইও না, কিন্তু মনের নূতনীকরণ বা নবীকরণ দ্বারা রূপান্তরিত হইয়া ওঠো… (রোমীয় ১২:২) ঈশ্বর আপনাকে কেবল অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য সৃষ্টি করেননি। তিনি আপনাকে বৃদ্ধি পেতে, শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করতে এবং তিনি আপনাকে যা হতে আহ্বান জানিয়েছেন তার সবকিছু হয়ে ওঠার জন্য সৃষ্টি করেছেন। অগ্রগতির সবচেয়ে বড় শত্রুদের মধ্যে একটি হলো […]
খ্রীষ্টে আপনি কে তা জানুন

অতএব কেহ যদি খ্রীষ্টে থাকে, তবে সে নূতন সৃষ্টি; (২ করিন্থীয় ৫:১৭) আধ্যাত্মিক উন্নতির অন্যতম প্রধান চাবিকাঠি হল খ্রীষ্টে আপনার পরিচয় বুঝতে পারা। ঈশ্বর আপনার সম্পর্কে কী বলেন তা যখন আপনি জানতে পারেন, তখন নিরাপত্তাহীনতা তার শক্তি হারায় এবং আত্মবিশ্বাস বাড়তে শুরু করে। অনেক বিশ্বাসী যে সংগ্রাম করেন তার কারণ এই নয় যে ঈশ্বর তাঁর […]
ক্ষুদ্র শুভারম্ভ অবজ্ঞা করবেন না

”কারণ কে এই ক্ষুদ্র বিষয়ের দিনকে তুচ্ছ করেছে?” (যেচারিয়া ৪:১০) একজন খ্রিষ্টান হিসেবে আপনাকে অবশ্যই একটি বিষয় শিখতে হবে যে, আপনি আজ যেখানে আছেন তাকে কখনোই ছোট করে দেখবেন না। ঈশ্বর প্রায়শই তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ কাজগুলো এমনভাবে শুরু করেন যা মানুষের কাছে ছোট, লুকানো বা তাৎপর্যহীন বলে মনে হয়। একটি বীজ দেখতে খুব ছোট হতে পারে, […]
আপনার জীবনে ঈশ্বরের বচনকে প্রমাণ করুন

আর তোমরা যদি খ্রীষ্টের হও, তবে তোমরা অব্রাহামের বংশ, এবং প্রতিজ্ঞা অনুসারে উত্তরাধিকারী।(গালাতীয় ৩:২৯) একজন বিশ্বাসী হিসাবে, আপনি ঈশ্বরের প্রতিজ্ঞা থেকে বিচ্ছিন্ন নন—আপনি খ্রীষ্টে সম্পূর্ণভাবে নিমজ্জিত। এর অর্থ হলো অব্রাহামের সাথে যুক্ত আশীর্বাদগুলো এখন আপনার। আপনি ঈশ্বরের চুক্তির অংশ, এবং আপনার জীবনে তাঁর বাক্যের বাস্তবতা প্রতিফলিত হওয়া উচিত। কখনো সখনো মানুষ ঈশ্বরের বাক্যের প্রশংসা করে […]
যীশু: আধ্যাত্মিক বৃদ্ধি এবং পরিপক্কতার মেষপালক

আসুন আমরা পরিপূর্ণতার অভিমুখে অগ্রসর হই; ভিত্তি স্থাপন না করে… (Hebrew 6:1) খ্ৰীস্টমাস পৃথিবীতে প্রভু যীশুর গল্পের সূচনা করে – তবে এটি প্রতিটি বিশ্বাসীর আধ্যাত্মিক পরিপক্কতার দিকে যাত্রাও চিহ্নিত করে। ঈশ্বর আমাদের আধ্যাত্মিক শিশু থাকার জন্য আহ্বান জানাননি। ঈশ্বরের প্রতিটি সন্তানের জন্য বৃদ্ধি-বিকাশ তাঁর ইচ্ছা। প্রভু যীশু আমাদের পবিত্র আত্মা প্রেরণ করেছেন যাতে আমরা শিখতে […]
যীশু: যিনি শান্তি ও জ্ঞান বৃদ্ধি করেন

ঈশ্বর এবং আমাদের প্রভু যীশুর জ্ঞানের মাধ্যমে তোমাদের প্রতি অনুগ্রহ ও শান্তি বহুগুণে বৃদ্ধি পাক। (2 Peter 1:2) প্রকৃত শান্তি হল সমস্যার অনুপস্থিতি নয় – এটি হল যীশুর উপস্থিতি। যখন প্রভু যীশু এসেছিলেন, তখন পৃথিবীতে শান্তি প্রবেশ করেছিল। কিন্তু শান্তি কেবল তাঁর জ্ঞানের মাধ্যমেই বৃদ্ধি পায়। আপনি যত বেশি তাঁকে জানবেন, আপনার চারপাশে যা-ই ঘটুক […]