অভাবকে প্রত্যাখ্যান করুন

“আর আমাদিগের ঈশ্বর খ্রীষ্ট যীশুতে তাঁহার মহিমাধনের প্রাচুর্য অনুসারে তোমাদিগের সমস্ত অভাব মোচন করিবেন।” (ফিলিপীয় ৪:১৯) অনেকেই সারাক্ষণ অভাব, সীমাবদ্ধতা এবং অপ্রতুলতা নিয়ে চিন্তায় মগ্ন থাকেন এবং অজান্তেই নিজেদের মনকে দারিদ্র্যের দিকে পরিচালিত করেন। কিন্তু ঈশ্বর আপনাকে পরাজিত মানসিকতা নিয়ে বেঁচে থাকার জন্য আহ্বান জানাননি। তাঁর সন্তান হিসেবে, আপনাকে, অভাব-অনটন কে প্রত্যাখ্যান করতে হবে এবং […]
ঐশ্বরিক আত্মবিশ্বাসে চলুন

“কারণ ঈশ্বর আমাদিগকে ভয়ের আত্মা প্রদান করে নাই; তিনি শক্তির, প্রেমের ও সুবুদ্ধির আত্মা প্রদান করিয়াছেন।”(২ তীমথিয় ১:৭) ঈশ্বরের সন্তান হিসেবে আপনার কখনোই পৃথিবীর পরিস্থিতি দেখে ভীত বা আতঙ্কিত হয়ে বাঁচা উচিত নয়। আপনার ভিতরে পবিত্র আত্মার উপস্থিতি এমন কিছু নয় যা লুকিয়ে রাখতে হবে বা লজ্জা পেতে হবে। বরং, যে বিশ্বাসী ঈশ্বরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে […]
আপনি একটি সাম্রাজ্যর অংশ

“কারণ ঈশ্বরের সাম্রাজ্য কথায় নয়, শক্তিতে নিহিত আছে ।” (১ করিন্থীয় ৪:২০) আপনি কি কখনও ভেবে দেখেছেন, আপনি আসলে কিসের অংশ? আপনি শুধু কোনো সাধারণ সমাবেশের অংশ নন—আপনি ঈশ্বরের রাজ্যের অংশ। আর প্রতিটি রাজ্যেরই একটি কাঠামো থাকে: একজন রাজা, একনির্দিষ্ট সংখ্যক জনগণ, একটি সেনাবাহিনী এবং সম্পদ। এর মানে হলো, আপনার জীবন এমন কিছুর সঙ্গে যুক্ত […]
ঈশ্বরই আপনার উৎস

“আর আমার ঈশ্বর তাঁহার মহিমার ঐশ্বর্য অনুসারে খ্রীষ্ট যীশুতে তোমাদিগের সমস্ত অভাব পূর্ণ করিবেন।”(ফিলিপিয়ান্স) আপনার হৃদয়ে যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সত্যগুলো স্থির করা দরকার, তার একটি হলো এই: ঈশ্বরই আপনার উৎস। মানুষ নয়, কোনো ব্যবস্থা নয়, কোনো পরিস্থিতিও নয়—একমাত্র ঈশ্বরই আপনার প্রকৃত উৎস। আপনার যা কিছু প্রয়োজন, সবই তাঁর কাছ থেকেই আসে। অনেক সময় মানুষ তাদের […]
তাঁর জন্য পৃথক করুন

“কিন্তু তোমরা এক মনোনীত প্রজন্ম … এক পবিত্র জাতি…” (১ পিতর ২:৯) আলাদা করে রাখা বা পৃথক হওয়ার প্রকৃত অর্থ কী? এর অর্থ হলো—আপনি বিশেষভাবে ঈশ্বরের। আপনি পবিত্র। পবিত্রতা শুধু বাহ্যিক কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি পরিচয় থেকে শুরু হয়। আপনি পৃথক, কারণ ঈশ্বর আপনাকে নিজের জন্য মনোনীত করেছেন। এর মানে আপনার জীবনের উদ্দেশ্য পৃথক […]
শৃঙ্খলার উপকারিতা

“বরং নিজেকে ঈশ্বরভক্তির জন্য শৃঙ্খলাবদ্ধ করুন ।” (১ তীমথিয় ৪:৭b NASB) শৃঙ্খলা আপনাকে খুব অল্প প্রচেষ্টায় বড় বড় সাফল্য অর্জন করতে সাহায্য করতে পারে। শৃঙ্খলা মানে হলো নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা, নির্দিষ্ট নীতিমালা ও পথে চলতে বাধ্য করা, এবং সেই নীতির বাইরে যাওয়ার সমস্ত ইচ্ছা ও আকাঙ্ক্ষাকে দমন করা। ঈশ্বরের সন্তান হিসেবে আমাদের জন্য […]
আপনার পরিচয় এখন খ্রিষ্টের পরিচয়ে নির্ধারিত

”যিনি আমাদিগকে অন্ধকারের কর্তৃত্ব হইতে উদ্ধার করিয়াছেন, এবং আপন প্রেমাস্পদ পুত্রের রাজ্যে আনয়ন করিয়াছেন।” (কলসীয় ১:১৩) আপনার পরিচয় এখন আর আপনার অতীত, আপনার প্রেক্ষাপট বা আপনার পরিস্থিতির দ্বারা সংজ্ঞায়িত নয়—আপনি এখন যিশু খ্রিষ্টের পরিচয়ে পরিচিত। আপনি ঈশ্বরের নিজস্ব। প্রভু যিশুর মাধ্যমে আপনি মুক্তি লাভ করেছেন, মূল্যে কেনা হয়েছেন এবং এক নতুন বাস্তবতায় উপনীত হয়েছেন। এটি […]
আপনি যীশুর সহ-উত্তরাধিকারী

আর যদি সন্তান হই, তবে উত্তরাধিকারী; ঈশ্বরের উত্তরাধিকারী এবং খ্রিষ্টের সহ-উত্তরাধিকারী (রোমীয় ৮:১৭)। খ্রিষ্টে আপনার সম্পর্ক প্রভু যীশুর সঙ্গে কোনো দূরত্বের নয়—আপনাকে তাঁর সঙ্গে একত্রে আনা হয়েছে । আপনি শুধু একজন অনুসারী নন; আপনি তাঁর সহ-উত্তরাধিকারী। এর অর্থ, যা কিছু তাঁর, তাতেই আপনার অংশ আছে। তাঁর জীবন, তাঁর কর্তৃত্ব, তাঁর উত্তরাধিকার—এসব আপনার থেকে আলাদা নয়। […]
প্রভু যীশু – আপনার ধার্মিকতা

“কারণ তিনি তাঁকেই, যিনি পাপ জানিতেন না, আমাদের জন্য পাপ করিলেন, যাতে আমরা তাঁহার মধ্যে ঈশ্বরের ধার্মিকতা লাভ করিয়া থাকি ” (২ করিন্থীয় ৫:২১)। প্রভু যীশু যখন পরিত্রাণের কাজ সম্পূর্ণ করেননি, তার আগে মানুষ ব্যবস্থা (আইন)-এর অধীনে বাস করত, এবং শত্রু সেই ব্যবস্থাকে ব্যবহার করে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনত। যদিও শয়তানের কোনো প্রকৃত ক্ষমতা ছিল […]
প্রভু যীশু – সত্য

যীশু তাঁহাকে বলিলেন, “আমিই পথ, সত্য এবং জীবন” (যোহন ১৪:৬)। আমরা এমন একটি পৃথিবীতে বাস করি যেখানে নানা রকম কণ্ঠ, মতামত এবং সূক্ষ্ম প্রতারণা ভরপুর। শত্রু প্রায়ই বিভ্রান্তি, অনুভূতি এবং পরিস্থিতির মাধ্যমে বাস্তবতাকে বিকৃত করার চেষ্টা করে। কিন্তু এই সবকিছুর মাঝেও যীশু সত্য হিসেবে দাঁড়িয়ে আছেন—তিনি শুধু সত্য বলেন না, তিনি নিজেই সত্য। তাঁর সত্য […]