কৃতজ্ঞতা জানানোর মধ্যদিয়েই আপনার মহত্ত্বের পথ

পিতাকে ধন্যবাদ জানাই, যিনি আমাদের আলোতে সাধুদের উত্তরাধিকারের অংশীদার করতে পেরেছেন৷ (কালাস্যিয়ান্স ১:১২) থ্যাঙ্কসগিভিং বা ধন্যবাদ জ্ঞাপন হল আশীর্বাদের একটি প্রবেশদ্বার, এবং ঈশ্বরের সন্তান হিসাবে আপনার জীবনের প্রতিটি ধাপে কৃতজ্ঞ হওয়া আপনার জন্য অপরিহার্য। কৃতজ্ঞ হৃদয় না থাকলে আপনি মহত্ত্ব অনুভব করতে পারবেন না। যে খ্রিস্টানরা কৃতজ্ঞতার মূল্য শেখেনি তাদের অনেক আশীর্বাদ বিফলে যায়। আপনার […]
ইহা হয় ধন্যবাদজ্ঞাপন

ধন্যবাদ সহকারে তাঁহার দ্বারে, প্রশংসা সহকারে তাঁহার প্রাঙ্গণে প্রবেশ করো ; তাঁহার ধন্যবাদ করো , তাঁহার নামের স্তব করো । (গীতসংহিতা ১০০:৪) আগামীকাল আমাদের মিনিস্ট্রিতে (পরিচর্যায়), আমরা বছরের একটি গৌরবময় প্রথমার্ধের সমাপ্তির জন্য ঈশ্বরকে সম্মান ও ধন্যবাদ জানাব। আমরা যখন এই অর্ধবার্ষিক ধন্যবাদজ্ঞাপন উপাসনা উদযাপন করছি, তখন এই দিনটির তাৎপর্য মনে রাখবেন এবং পরম সম্মানের […]
সঠিক সম্পর্ক গড়ে তুলুন

ভ্রান্ত হইও না: অসৎ সংসর্গ সচ্চরিত্র নষ্ট করিয়া তোলে । (১ করিন্থীয় ১৫:৩৩) যাদের আপনি আপনার জীবনে প্রবেশ করতে দেন, তারা হয় ঈশ্বরের সাথে আপনার পথচলাকে শক্তিশালী করবে, নতুবা ধীরে ধীরে আপনাকে তাঁর উদ্দেশ্য থেকে দূরে সরিয়ে নেবে। সম্পর্ক কখনো নিরপেক্ষ হয় না—তারা হয় আপনাকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে অথবা আপনাকে পিছনের দিকে টেনে ধরে। […]
শিক্ষণীয় মনোভাব গড়ে তুলুন

যিনি শাসন অগ্রাহ্য করিয়া থাকে , সে নিজের প্রাণকেও তুচ্ছ করিয়া থাকে; কিন্তু যিনি অনুযোগ শ্রবণ করিয়া থাকে , তিনি বুদ্ধি লাভ করে। (হিতোপদেশ ১৫:৩২) আত্মিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার অন্যতম দ্রুত উপায় হলো শেখার জন্য সর্বদা প্রস্তুত থাকা। ঈশ্বর প্রায়শই তাঁর বাক্য, তাঁর আত্মা এবং ধার্মিক নেতাদের ব্যবহার করে আমাদের সংশোধন করেন, পথ প্রদর্শন করেন এবং […]
দৃঢ় বিশ্বাস বা প্রত্যয় গড়ে তুলুন

“যাহাতে আপনি যে সকল বিষয়ে শিক্ষা লাভ করিয়াছেন, সেগুলির নিশ্চয়তা জানিতে পারেন।” (লূক ১:৪) আধ্যাত্মিক পরিপক্বতার একটি অন্যতম লক্ষণ হলো এমন দৃঢ় বিশ্বাস বা প্রত্যয় থাকা, যা ঈশ্বরের বাক্যের ওপর সুপ্রতিষ্ঠিত। প্রত্যয় কেবল একটি মতামতের চেয়েও বেশি কিছু। পরিস্থিতির সাথে মতামত বদলে যায়, কিন্তু প্রত্যয় অবিচল থাকে কারণ তা সত্যের গভীরে প্রোথিত। এমন একটি বিশ্বে […]
একটি অভ্যাসমূলক প্রার্থনাময় জীবন গড়ে তুলুন

অবিরত প্রার্থনা করিয়া চলো।(১ থিষলনীকীয় ৫:১৭) ঈশ্বর তাঁর সন্তানদের যে শ্রেষ্ঠ উপহারগুলো দিয়েছেন, প্রার্থনা তার মধ্যে অন্যতম। তবুও অনেক বিশ্বাসী প্রার্থনাকে প্রাত্যহিক জীবনধারার বদলে জরুরি অবস্থার একটি প্রতিক্রিয়া হিসেবে গণ্য করেন। তারা কেবল বিপদে পড়লেই প্রার্থনা করেন, কিন্তু সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে নীরব হয়ে থাকেন। তবে, ঈশ্বর কখনই চাননি যে প্রার্থনা কেবল সঙ্কটের সময়ের জন্য সংরক্ষিত […]
সাধারণত্ব বা মধ্যমতার প্রতি পবিত্র অসন্তোষ গড়ে তুলুন

আর তোমরা ইহ যুগের অনুরূপ হইও না, কিন্তু মনের নূতনীকরণ বা নবীকরণ দ্বারা রূপান্তরিত হইয়া ওঠো… (রোমীয় ১২:২) ঈশ্বর আপনাকে কেবল অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য সৃষ্টি করেননি। তিনি আপনাকে বৃদ্ধি পেতে, শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করতে এবং তিনি আপনাকে যা হতে আহ্বান জানিয়েছেন তার সবকিছু হয়ে ওঠার জন্য সৃষ্টি করেছেন। অগ্রগতির সবচেয়ে বড় শত্রুদের মধ্যে একটি হলো […]
ধার্মিকতার জন্য ক্ষুধা গড়ে তুলুন

ধন্য তাহারা, যাহারা ধার্মিকতার জন্য ক্ষুধিত ও তৃষ্ণার্ত: কারণ তাহারা তৃপ্ত হইবে। (মথি ৫:৬) জীবনে মানুষ অনেক কিছুর পেছনে দৌড়ায় । কেউ সাফল্য খোঁজে, কেউবা নিরাপত্তা, স্বীকৃতি বা বিষয়সম্পত্তি। তবুও প্রভু যীশু শিখিয়েছেন যে, সত্যিকার অর্থে তারাই ধন্য যারা ধার্মিকতার জন্য ক্ষুধিত এবং তৃষ্ণার্ত। এই ধরণের আকাঙ্ক্ষা ঈশ্বরের আশীর্বাদ চাওয়ার চাইতেও বড় কিছু; এটি হলো […]
ঈশ্বরের বাক্যকে প্রতিপালন করুন

“আর যে বীজ উত্তম ভূমিতে পড়িল, সে সেই ব্যক্তি, যে বাক্য শুনিয়া এবং বুঝিয়া ; আর সে ফলবান হইয়া থাকে, কেহ একশত গুণ, কেহ ষাট গুণ, কেহ ত্রিশ গুণ ফল উৎপন্ন করিয়া থাকে।” (মথি ১৩:২৩) প্রত্যেক বিশ্বাসী ফলপ্রসূ হতে চায়, কিন্তু ফলপ্রসূতা কখনও আকস্মিকভাবে আসে না। বপনকারীর দৃষ্টান্তে প্রভু যীশু দেখিয়েছেন যে ফসলের পরিমাণ নির্ভর […]
সমাপ্তি পর্যন্ত বিশ্বাসের উত্তম যুদ্ধ চালিয়ে যান

বিশ্বাসের উত্তম যুদ্ধ প্রাণপণে করিয়া থাকিও ; অনন্ত জীবন ধরে রাখিও, যাহার জন্যই তোমাকে আহ্বান করা হইয়াছে(১ তীমথি ৬:১২)। খ্রিস্টীয় জীবন নিষ্ক্রিয় নয়; এটি বিশ্বাসের এমন এক জীবন যা সচেতনভাবে অনুশীলন এবং বজায় রাখতে হয়। পবিত্র শাস্ত্র এটিকে একটি ‘উত্তম যুদ্ধ’ বলে থাকে কারণ খ্রিস্টের মধ্যে জয় ইতোমধ্যেই নিশ্চিত করা হয়েছে, তবুও শেষ পর্যন্ত বিশ্বাসকে […]