​মৃত্যু ও জীবন জিহ্বার ক্ষমতার অধীনে। (হিতোপদেশ ১৮:২১)

​অনেক মনুষ্য বুঝতে পারে না যে প্রতিদিন তাদের মুখের কথা তাদের জীবনের গতিপথ নির্ধারণ করছে। ঈশ্বর আমাদের বাকশক্তিতে একটি শক্তিশালী হাতিয়ার প্রদান করেছেন, এবং আমরা এটি কীভাবে ব্যবহার করি তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনার কথা আপনার চিন্তাভাবনাকে প্রভাবিত করে, আপনার বিশ্বাসকে শক্তিশালী করে এবং পরিশেষে আপনি জীবনে যে ফলাফলগুলো লাভ করেন তার ওপর প্রভাব ফেলে।

​অনেক বিশ্বাসী প্রার্থনা বা চার্চের আরাধনার সময় বিশ্বাসের কথা বলেন, কিন্তু তারপরের দিনই ও সপ্তাহের বাকি সময় ভয়, সন্দেহ এবং হতাশার কথা বলে থাকেন। এই ধরনের অসঙ্গতি বিশ্বাস এবং আধ্যাত্মিক অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টি করে। ঈশ্বরের সত্য কখনও পরিবর্তিত হয় না, এবং আমাদের মুখের স্বীকারোক্তিতেও সেই একই ধারাবাহিকতা প্রতিফলিত হওয়া উচিত।

​কথা বলার আগে নিজেকে জিজ্ঞাসা করতে শিখুন: “এটি কি ঈশ্বর যা বলেছেন তার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ?” যদি তা না হয়, তবে ভিন্ন শব্দ বেছে নিন। আপনার স্বাস্থ্য, পরিবার, আর্থিক অবস্থা, ভবিষ্যৎ এবং উদ্দেশ্যের বিষয়ে ঈশ্বরের বাক্যের সাথে একমত হয়ে কথা বলতে নিজেকে প্রস্তুত করুন। এমনকী যখন পরিস্থিতি প্রতিকূল বলে মনে হয়, তখনও ঈশ্বরের বাক্য ঘোষণা করা চালিয়ে যান।

​মনে রাখবেন, আপনার জিহ্বা কেবল আপনার পরিস্থিতি বর্ণনা করছে না; এটি আপনার জীবনকে পরিচালিত করতেও সাহায্য করছে। প্রতিটি বিশ্বাসে পূর্ণ স্বীকারোক্তি আপনার আত্মাকে শক্তিশালী করে এবং আপনার হৃদয়ে ঈশ্বরের সত্যকে দৃঢ় করে।

​তাই ভয়, অবিশ্বাস বা পরাজয়ের কথা বলা থেকে নিজের ঠোঁটকে বিরত রাখুন। আপনার কথাগুলো প্রতিনিয়ত ঈশ্বরের বাক্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হোক। একটি সুশৃঙ্খল জিহ্বা আশীর্বাদের হাতিয়ার এবং বিজয়ের পথ হয়ে ওঠে।

​প্রার্থনা:
​প্রিয় পিতা, আপনার বাক্যের ক্ষমতার জন্য আমি আপনাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করি। আপনার সত্যের সাথে সামঞ্জস্য রেখে ধারাবাহিকতার সহিত কথা বলা সম্পর্কে আমাকে অবগত ও শেখানোর জন্য আপকে ধন্যবাদ। আমি সন্দেহ, ভয় এবং পরাজয়ের কথাগুলো প্রত্যাখ্যান করি। যীশুর নামে, আমার কথাগুলো আমার জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে বিশ্বাস, শক্তি এবং বিজয় উৎপন্ন করে। আমেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *