আর সদাপ্রভু অব্রামকে বললেন, তুমি চোখ তুলে তাকাও। তুমি যেখানে আছ, সেখান থেকে উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিম দিকে দেখো। আদিপুস্তক ১৩:১৪

বিশ্বাস মানে অস্পষ্ট ইচ্ছা করা বা শুধু মনে মনে কিছু পাওয়ার আশা করা নয়। আপনি যখন নিজের জীবনে কোনো কিছু বাস্তবে ঘটতে দেখতে চান, তখন আপনাকে বুঝতে হবে, আপনি পরমেশ্বরের কাছে ঠিক কী বিষয়ে বিশ্বাস করছেন। স্পষ্টতা আপনার বিশ্বাসকে সঠিক দিক দেখায়। যখন আপনার ইচ্ছা পরিষ্কারভাবে নির্ধারিত হয় এবং পরমেশ্বরের বাক্যের সঙ্গে মেলে, তখন প্রার্থনা করার ও সেই অনুযায়ী কাজ করার সময় আপনি নিজের হৃদয়ে সেই বিষয়টির একটি স্পষ্ট ছবি ধরে রাখতে পারেন।

পরমেশ্বর নিজেই অব্রাহামকে দেখার জন্য কিছু দিয়েছিলেন। অব্রাহাম চোখ তুলে সেই দেশ দেখলেন, যা পরমেশ্বর তাঁকে দেখিয়েছিলেন। পরে পরমেশ্বর তাঁর মনোযোগ আকাশের তারাগুলোর দিকে নিয়ে গেলেন এবং তিনি যা দেখতে পাচ্ছিলেন, তার সঙ্গে সেই ভবিষ্যতের যোগসূত্র দেখালেন, যার প্রতিজ্ঞা পরমেশ্বর তাঁকে করেছিলেন। পরমেশ্বর তাঁকে যা দেখাচ্ছিলেন, তা নিয়ে অব্রাহামকে মনোযোগ দিতে হয়েছিল; তবেই তিনি সেই প্রতিজ্ঞা পূরণের দিকে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যেতে পেরেছিলেন।

বিশ্বাসের জীবনে এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনার প্রার্থনা যেন শুধু সাধারণভাবে আশা প্রকাশ করার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে। পরমেশ্বরের বাক্য খুঁজে দেখুন, তিনি আপনার জন্য কী কী দিয়েছেন তা বুঝুন, আর তাঁর বাক্যকে আপনার প্রত্যাশাকে স্পষ্ট রূপ দিতে দিন।

আপনার হৃদয় যখন পরমেশ্বরের দেওয়া স্পষ্ট ও নির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা পায়, তখন সাময়িক পরিস্থিতি আপনাকে সহজে অন্যদিকে সরিয়ে দিতে পারে না। আপনি জানেন, আপনি কী পাওয়ার জন্য এগিয়ে যাচ্ছেন, কেন এগিয়ে যাচ্ছেন, আর সেই বিষয়ে পরমেশ্বরের বাক্য কী বলে। এভাবে আপনার বিশ্বাস অনিশ্চিত না থেকে একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যের দিকে স্থির থাকে।

প্রার্থনা:

স্বর্গীয় পিতা, আপনার বাক্যের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার বাক্য আমার বিশ্বাসকে স্পষ্টতা ও সঠিক দিকনির্দেশনা দেয়। আমি আপনার কাছে ঠিক কী বিষয়ে বিশ্বাস করছি, তা বুঝতে আমাকে শেখানোর জন্য ধন্যবাদ। আপনি যা প্রকাশ করেছেন, তার উপর আমার হৃদয়কে স্থির রাখতে সাহায্য করার জন্যও ধন্যবাদ। প্রভু যীশুর নামে, আমেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *